রোববার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৬ ১৪২৬   ২২ মুহররম ১৪৪১

একজন নারী

ডা. জাফরিনা ইসলাম (তুলি)

দৈনিক যশোর

প্রকাশিত : ০২:১২ পিএম, ২২ নভেম্বর ২০১৮ বৃহস্পতিবার

ডান স্তনে একটি ধর্ষকের হাত যেখান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে আর বাম স্তনের দুগ্ধ পান করছে একটি শিশু যেখানে আছে মমতা। একজন নারীর রক্তক্ষরণ হয় যখন সে হয় ধর্ষণের শিকার আবার ধর্ষণের পর যখন তার শরীরেই বেড়ে ওঠে এক বিন্দু রক্ত থেকে একটি মানব সন্তান তাকে সে বুকে জড়িয়ে দুগ্ধ পান করায় কিন্তু সমাজ হয়তো সেই সন্তানকে স্বীকৃতি দিবে না, আইনি মামলায় প্রমাণের অভাবে বা ক্ষমতার অভাবে সে নারী হবে বিতর্কিত তার পরও তার নারীসত্ত্বা থেকে প্রখর মনোবল নিয়ে বাঁচবে সেই মানবী। রাতের আঁধারে নীরবে আর্তনাদ করবে সে, সেই আর্তনাদে ভূখণ্ড কম্পিত হবে কিন্তু সমাজ সংস্করণ হবে না...!!!

একটি নারীর হৃদয় স্পর্শ না করে কি শরীর স্পর্শ করা ঠিক? প্রতিটি মানুষের ভিতরেই দুটো সত্ত্বা বিরাজমান "বিবেক আর পশুত্ব"। যে মানুষ পশুত্বকে দমন করতে পারে না তাকেই বলা হয় নরপিশাচ। নরপিশাচদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলেই পৃথিবীতে নারী-শিশু হবে নিরাপদ। সমাজের তর্জনি আঙুল শুধুই কেন নারীদের দিকে? উন্নয়নের জোয়ারে যখন পৃথিবী ভাসছে তখন একটি শিশুর নিরাপত্তা কই? কই একজন নারীর সম্মান? বৃদ্ধাঙুলি তাই তখনই ওঠে সমাজের প্রতি যখন সমাজ বলে "তুমি তো মানুষ না, তুমি মেয়ে মানুষ"