বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৪ সফর ১৪৪১

১৭ মার্চ থেকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক উৎসব

দৈনিক যশোর

প্রকাশিত : ০৪:১৪ পিএম, ১৩ মার্চ ২০১৯ বুধবার

১৭ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক উৎসব। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে শুরু হতে যাওয়া ১০ দিনব্যাপী এ উৎসবে ভারত, নেপালসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। বুধবার দুপুরে নগরভবনের সরিৎ দত্ত গুপ্ত সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উৎসব উদযাপনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক উৎসব উদযাপনের অংশ হিসেবে এরইমধ্যে জমজমাট পরিবেশে চলচ্চিত্র উৎসব হয়েছে। নাট্যোৎসব চলছে। সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে রাজশাহী অঞ্চল অনেক আগে থেকেই সমৃদ্ধ। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সব সময় মুখর থেকেছে নগরী। শিক্ষার ক্ষেত্রেও সব সময় এগিয়ে।

তিনি আরো বলেন, ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে। এসব সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মৌলবাদী, কুপমণ্ডুতা, মেধা-মনোনশীল কাজে নষ্ট করার অপচেষ্টাকারীদের সমূলে উৎপাটন হবে। সব প্রকার বিষবাষ্প থেকে বেরিয়ে এসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা নতুন বাংলাদেশ হিসেবে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি, সেটা আরো এগিয়ে যাবে।

লিটন বলেন, মুজিববর্ষে সারাদেশে বছরব্যাপী অনুষ্ঠান উদযাপন হবে। আমরা এক বছর আগেই রাজশাহীতে সূচনা করলাম। এসব কর্মকাণ্ডসহ আগামি বছর আরো বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের আয়োজন করতে উৎসাহিত ও উজ্জ্বিবিত করবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব কবি আরিফুল হক কুমার বলেন, উৎসব উপলক্ষে লালনশাহ মুক্তমঞ্চে ৭ মার্চ থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামান্যচিত্র, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও সঙ্গীতানুষ্ঠান। ১১ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নাট্যোৎসব।

এই উৎসবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত এবং নেপাল থেকে আগত প্রখ্যাত নাটকের দলগুলো। উৎসবের মূল পর্ব আগামী ১৭ মার্চ থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৬ মার্চ পর্যন্ত। 

১৭ মার্চ নগরভবনের গ্রিনপ্লাজায় উৎসবের উদ্বোধন করবেন বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের সদস্য কবি শেখ হাফিজুর রহমান। এই উৎসবে মহানগরীর প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক আলাচনা সভা হয়। এছাড়া নগরীর চারটি জনবহুল স্থানে অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সংবাদ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন উৎসব উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উৎসব উদ্যাপন পরিষদের সদস্য সচিব কবি আরিফুল হক কুমার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র-উপদেষ্টা গোলাম সাব্বির সাত্তার তাপু, বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী কামারুল্লাহ সরকার, শাহ মখদুম কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান, অধ্যক্ষ এসএম রেজাউল ইসলামসহ প্রমুখ।