বুধবার   ১৯ জুন ২০১৯   আষাঢ় ৫ ১৪২৬   ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

২০৬

সর্দি-জ্বর লেগেই আছে?

প্রকাশিত: ৯ ডিসেম্বর ২০১৮  

ঋতু বদলাচ্ছে। আসছে শীত। শীতের শুরুর এই সময়ে কখনও শিরশিরে ঠাণ্ডা বাতাস বইছে। আবার কখনও বা গুমোট গরম। এমন আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় গরম জামা-কাপড় পরলে গরম লাগে, আবার তা খুলে ফেললেও হালকা শীত ভাব অনুভূত হয়। এমন সময়ে অনেকে ঠাণ্ডজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে সর্দি-জ্বরে কেউ কেউ কাবু হচ্ছেন। 

 

অসুখ করলে তো চিকিৎসা করাতেই হবে, কিন্তু অসুখ হওয়ার আগে তা রুখে দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে পারলে সবচেয়ে ভালো। চিকিৎসকদের মতে, কিছু মূল বিষয় মাথায় রাখলে এই সময় অসুখ থেকে দূরে থাকবেন। বিশেষ করে বাড়িতে খুদে সদস্য বা বয়স্করা থাকলে সাবধান হতে হবে আরও বেশি।

এখনকার আবহাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার সময় কী কী নিয়ম মেনে চললে সহজে অসুখ আক্রমণ করতে পারবে না, জানেন?

ঠান্ডা খুব একটা লাগছে না বলে আমরা অনেকেই গরম পোশাক সঙ্গে নেই না। এই সময় সন্ধ্যা থেকে হিম পড়তে শুরু করে। তাই গরম পোশাক সঙ্গে রাখা উচিত।

তবে খুব মোটা পোশাকে গা ঢেকে রাখবেন না। বিশেষ করে শিশু অসুস্থ না থাকলে এখনই খুব মোটা গরম জামা-কাপড় পরিয়ে বাইরে বের করবেন না। বরং হালকা কোনও চাদর বা সোয়েটার গায়ে রাখলে হবে। ঘাম বসে ঠাণ্ডা লাগার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। তাই লক্ষ্য রাখুন যেন ঘাম না হয়।

সন্ধ্যার পর ঘর থেকে বের হলে কান ঢাকুন। হিমেল হাওয়ার অনেকটাই কান দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে। তাই গায়ে হালকা চাদরের সঙ্গে কানেও জড়ান হালকা কাপড়। এই সময় চেষ্টা করুন এসি এড়িয়ে চলতে। তবু যদি অফিসে এসিতে বসতে হয়, বা এসি গাড়িতে চড়তে হয়, তা হলে অবশ্যই কান-মাথা ঢেকে ও চাদর গায়ে বসুন।

ঠাণ্ড পানীয় এড়িয়ে চলুন। আইসক্রিমও বন্ধ রাখুন এই সময়। তবে বিয়েবাড়ির মৌসুমে আইসক্রিম দুই একটা খেয়ে ফেললেও সঙ্গে সঙ্গে পানি পান করুন। এতে ঠা-া লাগার সম্ভাবনা কমে। তবে ঠাণ্ডা পানীয় একেবারেই নয়।

দৈনিক যশোর
দৈনিক যশোর