বুধবার   ১৯ জুন ২০১৯   আষাঢ় ৫ ১৪২৬   ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

১৮২

বিয়ের নিমন্ত্রণ, কি দেবেন উপহার?

প্রকাশিত: ৩ ডিসেম্বর ২০১৮  

হুট করেই বিয়ের নিমন্ত্রণ যেন বেড়ে গেছে মনে হচ্ছে আদিবের। স্বাভাবিক, মৌসুমটাই তো বিয়ের। আসছে সপ্তাহে কলিগের বিয়ে, তার পরের সপ্তাহে স্কুলবন্ধুর বিয়ে। কোনো নিমন্ত্রণই উপেক্ষা করার মতো না। বিয়েতে যাওয়া নিয়ে কোনো সমস্যা নেই আদিবের, সমস্যা হলো বিয়ের উপহার নিয়ে। মাথায় কিছুতেই আসছে না কাকে কি দেওয়া যায়। কার কি পছন্দ, কোথা থেকে কি কিনবে তা ভাবতে গেলেই মাথা গুলিয়ে যাচ্ছে।

বিয়েতে নিমন্ত্রণে যেতে হলে কিছুটা ভিন্নধর্মী উপহার দেওয়ার চেষ্টা করুন। সেক্ষেত্রে মাথায় রাখতে পারেন এই বিষয়গুলো-

বিয়ের যতো উপহার

প্রয়োজনের পাশাপাশি উপহারে শখের বিষয়টিও মাথায় রাখুন। কনের জন্য শাড়ি বা গয়না দেওয়ার প্রচলন আমাদের দেশে বহু আগে থেকেই। এছাড়া পার্স, বড় ব্যাগ বা বিশেষ কোনো মেকআপ কিট দিতে পারেন। বরকে দেওয়া যায় পাঞ্জাবি। আজকাল কনের বন্ধুরা বরের জন্য উপহার কেনেন, বরের বন্ধুরা কেনেন কনের জন্য। পোশাক দিতে চাইলে আগে থেকেই জেনে নিতে চেষ্টা করুন, যাঁর জন্য পোশাকটি কেনা হচ্ছে, তিনি কী ধরনের পোশাক বা কোন ধরনের রং পছন্দ করেন।

নতুন সংসারের জন্য দরকারি অনেক কিছুই দেওয়া যেতে পারে। এই যেমন ধরুন ব্লেন্ডার, জুসার, গ্রাইন্ডার, টোস্টার, রাইস কুকার, ননস্টিক হাঁড়িপাতিলের সেট, হটপট, ওয়াটার ফিল্টার, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, ইস্ত্রি কিংবা বিছানার চাদর, কুশন কভার, কম্বল। এটা তো সবাই মোটামুটি দেয়ই। বর-কনের জন্য কফিমগ দিতে পারেন। আজকাল সিরামিকের মগে শুভেচ্ছাবাণী লিখিয়ে নেওয়ার সুযোগ তো  রয়েছেই। চাইলে পছন্দসই ছবি ছেপে দেওয়া যায় মগের গায়ে। তাপমাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ছবি দৃশ্যমান হবে, এমন মগও অর্ডার দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন। অনলাইনেও এসব মগের অর্ডার দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চায়ের কাপের সেট, ছুরি-কাঁটাচামচের সেট বা ডিনার সেটও চলবে উপহার হিসেবে।

বিয়ের উপহার হিসেবে নকশায় তৈরি জুয়েলারি বক্স ও ট্রাঙ্ক পাওয়া যায় আজকাল। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের গয়না, ঘর সাজানোর উপকরণ ও ট্রে রয়েছে। এসব উপহারে দেশীয় আমেজটাও পাওয়া যাবে।

কলিগ বা বন্ধুর বিয়েতে সব কলিগ আর বন্ধুরা মিলে একটু বড়সড় উপহারও দিতে পারেন। এলইডি টেলিভিশন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, এমনকি ছোটখাটো কোনো আসবাবও হতে পারে অন্যরকম একটা উপহার। বন্ধুর ছবি তোলার শখ থাকলে দিয়ে দিতে পারেন একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা। বিশেষ আকর্ষণীয় কোনো বই বা বুকশেলফও দেওয়া যেতে পারে।

আর সবচেয়ে চমক হতে পারে নবদম্পতির মধুচন্দ্রিমা বা হানিমুনের দুটি টিকিট। বর-কনের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সুবিধামতো সময়ে মধুচন্দ্রিমার যাবতীয় ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। চাইলে পরিবারের কয়েকজন সদস্য মিলেও এ ধরনের বড় কোনো উপহার দিতে পারেন।

আর স্মার্ট উপহার হিসেবে মুঠোফোন, ট্যাব, আইপ্যাডসহ অন্যান্য গ্যাজেটও দিতে পারেন। আর ছোটখাট উপহারের মধ্যে আয়না, ল্যাম্পশেড, ফটোফ্রেম, মোমদানি, নানা রকম মোম, ফুলদানি আর শোপিসও দিতে পারেন।

স্বজনেরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে ঠিক করে নিতে পারেন, কে কী উপহার দিচ্ছেন। বর-কনের কাছে না হয় সেসবের পুরোটাই সারপ্রাইজ থাক।

আর বাজার, দোকান ঘুরেও যদি পছন্দসই জিনিস বাছাইয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে থাকেন তাহলে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ বা শোরুমের গিফট কার্ড বা ভাউচার দিতে পারেন। গিফট কার্ডের মাধ্যমে বর-কনে নিজেদের পছন্দমতো জিনিসটি কিনে নিতে পারবেন।

দৈনিক যশোর
দৈনিক যশোর
এই বিভাগের আরো খবর