মঙ্গলবার   ২৩ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৭ ১৪২৬   ২০ জ্বিলকদ ১৪৪০

৬৭

খাবারেই মিলবে ব্রণ মুক্তি!

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০১৯  

ব্রণ নিয়ে ভোগান্তির শেষ নেই! সে নারী হোক বা পুরুষ। ব্রণ ও ব্রণের দাগ ত্বকের সৌন্দর‌্যকে নষ্ট করে দেয়। এছাড়াও ত্বকে রুক্ষ করে দেয়। বিভিন্ন খাবারের প্রভাবসহ ধুলা-বালি ও দূষণের কারণেই ত্বকে ব্রণ জন্ম নেয়। তবে জানেন কি? কিছু খাবারের মাধ্যমে সহজেই আপনি ব্রণপ্রবণ ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন-

লেবুর রস: শরীর থেকে অ্যাসিড বর্জ্য নির্মূল করে লেবুর রস। এতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড লিভার পরিষ্কার করে এবং রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সহায়ক  এনজাইম তৈরিতে সাহায্য করে। এতে রোমকূপ হয় এবং আপনার ত্বক হয়ে ওঠে তাজা এবং উজ্জ্বল।
 
তরমুজ: ত্বকের সমস্যা দূর করতে তরমুজ অত্যন্ত উপকারি। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি এবং সি যা ত্বককে সতেজ, উজ্জ্বল এবং আর্দ্র রাখে। এটি ব্রণের বিস্তারে  বাঁধা দেয় এবং ব্রণের দাগও দূর করে।

কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার: স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য সুষম খাবার অত্যন্ত জরুরি। ভিটামিন এ সমৃদ্ধ কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত পণ্যও সুস্থ ত্বকের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলোর একটি।

রাসবেরি: ত্বকের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর উপকরণ রাসবেরি। এতে রয়েছে ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার। এ ছাড়া ফলটি ফাইটোকেমিক্যাল সমৃদ্ধ যা ত্বককে সুরক্ষা দেয়।

দই: ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী উপাদান সমৃদ্ধ একটি উপকরণ দই। এটি ত্বক পরিষ্কার করে রোমকূপ বন্ধে বাঁধা দেয়।

আখরোট: নিয়মিত আখরোট খেলে ত্বকের মসৃণতা ও কোমলতা ফিরে আসে। আখরোট তেলে রয়েছে লিনোলিক অ্যাসিড যা ত্বকের কাঠামো বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে।
 
বাদাম: ডায়েটারি সিলেনিয়াম আসে বাদাম, সেরিয়াল ইত্যাদি থেকে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, সিলেনিয়ামের মাত্রা বেশি হলে রোদে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত কম হয়।

আপেল: আপেলে রয়েছে প্রচুর পেকটিন নামের উপাদান যা ব্রণের যম। তাই, ত্বকের যত্নে আপেল দারুন কার্যকরী।

পানি: পানি আপনার অভ্যন্তরীণ শরীরে পুষ্টি ও অক্সিজেন বহন করে। পানি বিভিন্ন অঙ্গে পুষ্টি সরবরাহ করে এবং ব্রণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

দৈনিক যশোর
দৈনিক যশোর