সোমবার   ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯   ভাদ্র ৩১ ১৪২৬   ১৬ মুহররম ১৪৪১

৩০১

কেশবপুরে বিএনপির আবু বকর হত্যায় যুবদল নেতা আটক 

কেশবপুর প্রতিনিধিঃ    

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০১৮  

একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী যশোর জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও কেশবপুরের মজিদপুর ইউপির চেয়ারম্যান আবু বকর আবু হত্যার ঘটনায় পুলিশ যুবদল নেতা মিন্টুকে আটক করেছে। 

ঢাকা ডিবি পুলিশ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীর কবির মিন্টু নামের যুবদল নেতাকে আটক করে।

এর আগে গত ২৭ নভেম্বর মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং বায়সা ওয়ার্ডের মেম্বার সাইফুর রহমানকে ঢাকার মিন্টু রোডে ডিবি কার্যালয়ে ডেকে নেয়া হলেও বিগত ১০ দিনেও তার কোন  খোঁজ মিলেনি। এ ছাড়া ডিবির কর্মকর্তা পরিচয়ে একজন বার বার ফোন করে কেশবপুরের বিভিন্ন ব্যক্তিকে ঢাকায় মিন্টু রোডে ডিবি কার্যালয়ে যেতে বলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ ও গণমাধ্যম বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন, মামলাটি ডিবি পুলিশ তদন্ত করছে না। এটি তদন্ত করছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ। ফলে ইউপি সদস্য সাইফুর রহমানের খোঁজ না পাওয়া, যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর কবির মিন্টুকে আটক করা এবং ফোনে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ঢাকায় ডিবি কার্যালয়ে যেতে বলার ঘটনায় কেশবপুরে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে সাদা পোষাকধারী একদল পুলিশ কেশবপুর শহরের ওয়াপদা সংলগ্ন বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে জাহাঙ্গীর কবির মিন্টুকে আটক করে। এরপর পুলিশের গাড়ীতে তুলে তাকে যশোরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। মিন্টু কেশবপুর পৌরসভার হাবাসপোল ওয়ার্ডের আবুল হোসেনের ছেলে এবং পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাসের জামাতা। জাহাঙ্গীর কবির মিন্টু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন জিয়া হল ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি কেশবপুর উপজেলা যুবদলের আসন্ন সম্মেলনে সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন বলে জানা গেছে। 

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহীন বলেন, ঢাকা থেকে পুলিশের একটি তদন্ত টিম বৃহস্পতিবার কেশবপুরে আসেন। সন্ধ্যার দিকে তারা জাহাঙ্গীর কবির মিন্টুকে আটক করে নিয়ে চলে গেছেন।     

উল্লেখ্য, একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী যশোর জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কেশবপুরের মজিদপুর ইউপির চেয়ারম্যান আবু বকর আবু মেম্বার সাইফুরসহ ১২ নভেম্বর ঢাকায় আসেন এবং পুরানা পল্টনের মেট্রোপলিটন হোটেলে উঠেছিলেন। ১৮ নভেম্বর রাতে চেয়ারম্যান আবুবকর নিখোঁজ হন এবং ১৯ নভেম্বর বুড়িগঙ্গা নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ।

দৈনিক যশোর
দৈনিক যশোর
এই বিভাগের আরো খবর