রোববার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৬ ১৪২৬   ২২ মুহররম ১৪৪১

১১৯

আগে ভাষানটেক পরে চলচ্চিত্র

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  

ঢাকাই ছবির এক সময়ের দাপুটে নায়ক ফারুক। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন তিনি।  ঢাকা ১৭ আসন থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছেন।মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন এই অভিনেতা। ভোটের ময়দানে কেমন সাড়া পাচ্ছেন, জয়ী হলে চলচ্চিত্রের জন্য কী করবেন এসব নিয়ে কথা হয় এ নায়কের সঙ্গে-

নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন, ভোটারদের কেমন সাড়া পাচ্ছেন? 

আমি তো রাজনীতিতে আগেই থেকেই যুক্ত। শুরু থেকেই বঙ্গবন্ধুর কথা বলি, আওয়ামী লীগের কথা বলি, নেত্রীর কথা বলি, নেত্রী কী কী উন্নয়ন করেছে সেগুলো বলি। এ কয়দিনের প্রচারণায় নেমে তো আমি মুগ্ধ। বিশেষ করে বুধবার ভাষানটেক এলাকায় গিয়ে আমার মুগ্ধতা আরও বেড়ে  গেছে। মাথা নিচু করে কেঁদেছি। মানুষ আমাকে এতো ভালোবাসেন। আমার কাছে মনে হলো নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছি। 

আপনার আসনে মহাজোটের হেভিওয়েট প্রার্থী রযেছে। এটা কীভাবে দেখছেন? 

আমি তো মহাজোটের না। আমি নৌকার। আমি আওয়ামী লীগের প্রার্থী। মহাজোট আমার কিছুই না। মহাজোট মহাজোটেরটা করবে। আমি আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগেরটা করবো। আর হেভিওয়েট প্রার্থীর কথা বলছেন, এটা জনগনের কাছে জিজ্ঞেস করুন, তাদের কাছে হেভিওয়েট প্রার্থী কে? কারণ হেভিওয়েট প্রার্থী বলে ইলেকশনে কিছু নেই। কোন দলের প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রী দাঁড়ালে তাদের হেভিওয়েট প্রার্থী বলে অনেকে। কিন্তু আমার কাছে হেভিওয়েট প্রার্থী হচ্ছেন, যারা মানুষের ভালোবাসা পায়, তাদের উন্নয়নে কাজ করেন, তাদের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচিত হয়ে সংসদে কথা বলেন।  

আপনি সিনেমার মানুষ। নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদে গিয়ে প্রথমে চলচ্চিত্রের উন্নয়নে কোন বিষয়গুলো তুলে ধরবেন? 

সংসদ জতির ভাগ্য নির্ধারণ করে। সিনেমাও কিন্তু জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। সংসদে আমি সিনেমার কথা অবশ্যই বলবো। সিনেমায় কী কী সমস্যা রয়েছে সেটা মনে হয় আমার চেয়ে ভালো কেউ বলতে পারবে না। আশা করি, সেটা আমি সেখানে তুলে ধরতে পারবো। তবে তার আগে আমার একটা কথা রয়েছে, বিজয়ী হলে ভাষানটেক এলাকাবাসীর জন্য আমি আগে কথা বলবো সংসদে। তাদের জন্য আগে আমি কিছু একটা করবো।’ 

দৈনিক যশোর
দৈনিক যশোর
এই বিভাগের আরো খবর