বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৪ সফর ১৪৪১

১৫৫

অভিষেকে সেঞ্চুরি হলো না সাদমানের 

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০১৮  

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে আগে ব্যাটিং করছে বাংলাদেশ।

স্কোর: ১৭৫/৪ (৬৩ ওভার)।

দ্বিতীয় সেশনে ২ উইকেট

দ্বিতীয় সেশনে ২৯ ওভার ১ বলে স্কোরবোর্ডে ৮৮ রান যোগ করেছে বাংলাদেশ। তবে এই সেশনে হারিয়েছে দুই সেট ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিথুন ও সাদমান ইসলামকে। মিথুনের বিদায়ে ভাঙে ৬৪ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি। এরপর অভিষিক্ত সাদমান আউট হন ৭৬ রান করে।

চা বিরতির সময় ৬৩ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৭৫ রান। সাকিব আল হাসান ১৩ ও মুশফিকুর রহিম ৪ রানে অপরাজিত আছেন।

অভিষেকে সেঞ্চুরি হলো না সাদমানের

টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি পাওয়া হলো না সাদমান ইসলামের। সেঞ্চুরি থেকে ২৪ রান দূরে থাকতে আউট হয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। লেগ স্পিনার দেবেন্দ্র বিশুকে ডিফেন্ড করতে চেয়েছিলেন সাদমান, বল মিস করে হন এলবিডব্লিউ।

১৯৯ বলে ৬ চারে ৭৬ রানের ইনিংসটি সাজান সাদমান। বিশুর পরপর দুই ওভারে ফিরলেন দুই সেট ব্যাটসম্যান। আগের ওভারে মিথুন, পরের ওভারে সাদমান। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৬১ রান। উইকেটে দুই নতুন ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম।

মিথুনের বিদায়ে ভাঙল জুটি

মোহাম্মদ মিথুনের বিদায়ে ভেঙেছে ৬৪ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি। লেগ স্পিনার দেবেন্দ্র বিশু করেছিলেন গুগলি, পুল করতে গিয়ে বল মিস করে বোল্ড হন মিথুন।

৬১ বলে ২৯ রান করে ফেরেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫১ রান। ৭০ রানে ব্যাট করা অভিষিক্ত সাদমান ইসলামের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

সাদমান-মিথুন জুটির পঞ্চাশ

তৃতীয় উইকেটে পঞ্চাশ রানের জুটি গড়েছেন সাদমান ইসলাম ও মোহাম্মদ মিথুন। ১০৮ বলে ছুঁয়েছে জুটির পঞ্চাশ। যেখানে সাদমানের অবদান ২৭, মিথুনের ২৪ রান।

৫২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৪০ রান। অভিষেকে ফিফটি করে ৬৪ রানে ব্যাট করছেন সাদমান। ২৪ রানে ব্যাটিংয়ে মিথুন।

অভিষেকে সাদমানের ফিফটি

বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকানকে সুইপ করে চার হাঁকালেন সাদমান ইসলাম। আর এই চারে ৪৮ থেকে তিনি পৌঁছে গেলেন পঞ্চাশের মাইলফলকে। অভিষেকেই ফিফটি করলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। ১৪৭ বলে ফিফটি করতে ৪টি চার হাঁকান সাদমান।

৪৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ২ উইকেটে ১১২ রান। সাদমান ৫২ ও মোহাম্মদ মিথুন ৮ রানে অপরাজিত আছেন।

 

বাংলাদেশের একশ

৪১তম ওভারের প্রথম বলে বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকানের অফ স্টাম্পের বল কাট করে পয়েন্টে পাঠালেন সাদমান ইসলাম। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান নিলেন ডাবল। এই দুই রানে পূর্ণ হলো বাংলাদেশের দলীয় শতরান।

৪১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০২ রান। সাদমান ৪৫ ও মোহাম্মদ মিথুন ৫ রানে অপরাজিত আছেন।

লাঞ্চের আগে ফিরলেন মুমিনুল

বিরতির আগে উইকেট পতন যেন নিয়ম বানিয়ে ফেলল বাংলাদেশ! প্রথম ঘণ্টার পানি পানের বিরতির আগে শেষ ওভারে আউট হয়েছিলেন সৌম্য সরকার। এরপর সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হকের জুটিটা বেশ জমে উঠেছিল। কিন্তু লাঞ্চের আগে শেষ ওভারে আউট মুমিনুল।

অফ স্টাম্পে পেসার কেমার রোচের শর্ট বল পুল করতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ঠিকমতো খেলতে পারেননি। বল উঠে যায় মিড অফে। সহজ ক্যাচ নেন রোস্টন চেজ। লাঞ্চের আগে এমন শট খেলে আউট হওয়া মানে প্রতিপক্ষকে উইকেট উপহার দেওয়া।

৪৬ বলে ২ চারে  ২৯ রান করে ফেরেন মুমিনুল। তার বিদায়ে ভাঙে ৪৫ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি। লাঞ্চ বিরতির সময় ৩৩ ওভার ৫ বলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৮৭ রান। অভিষিক্ত সাদমান ৩৬ রানে অপরাজিত আছেন।

বাংলাদেশের পঞ্চাশ

২০ ওভার ৪ বলে দলীয় পঞ্চাশ  রান পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ। ২১ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১ উইকেটে ঠিক ৫০ রান। সাদমান ইসলাম ২৭ ও মুমিনুল হক ৪ রানে অপরাজিত আছেন।

 

প্রথম ঘণ্টায় সৌম্যর বিদায়

প্রথম ঘণ্টার শেষ ওভার ছিল এটা। সেই ওভারেই বাজে শট খেলে ফিরলেন সৌম্য সরকার। অফ স্পিনার রোস্টন চেজের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে শট খেলতে গিয়েছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। বল ব্যাটের কানায় লেগে জমা হয় প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো ফিল্ডারের হাতে।

৪২ বলে ১৯ রান করে ফেরেন সৌম্য। তার বিদায়ে ভাঙে ৪২ রানের উদ্বোধনী জুটি। অভিষিক্ত সাদমান ইসলামের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মুমিনুল হক।

সাদমানের অভিষেক

ইমরুল কায়েস চোট নিয়ে ছিটকে পড়ায় ঢাকায় সাদমান ইসলামের টেস্ট অভিষেক অনুমিতই ছিল। হলোই তাই। বাংলাদেশের ৯৪তম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ক্যাপ পেয়েছেন সাদমান। সৌম্য সরকারের সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করবেন তিনি। এ ছাড়া একাদশে ঢুকেছেন লিটন দাস। মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে শঙ্কা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি খেলছেন। তবে মুশফিক খেলবেন শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে। উইকেটকিপিং করবেন লিটন। লিটনকে জায়গা দিতে বাদ পড়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। অর্থাৎ বাংলাদেশের একাদশে নেই কোনো পেসার। এমন ঘটনা বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসেই এটিই প্রথম।

 

বাংলাদেশ একাদশ

সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মোহাম্মদ মিথুন, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে একটি পরিবর্তন

শ্যানন গ্যাব্রিয়েল একটি টেস্ট নিষিদ্ধ হওয়ায় ঢাকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের একাদশে একটি পরিবর্তন অনুমিতই ছিল। তার জায়গায় খেলছেন গত মাসে ভারত সফরে অভিষেক হওয়া ডানহাতি পেসার শেরমান লুইস। এ ছাড়া আর কোনো পরিবর্তন নেই ক্যারিবীয়দের।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ

ক্রেইগ ব্রাফেট (অধিনায়ক), কাইরন পাওয়েল, শাই হোপ, সুনীল অ্যামব্রিস, রোস্টন চেজ, শিমরন হেটমায়ার, শেন ডোরিচ, দেবেন্দ্র বিশু, জোমেল ওয়ারিকান, শেরমান লুইস, কেমার রোচ।

টস

আবার টস জিতলেন সাকিব আল হাসান। চট্টগ্রামের মতো দ্বিতীয় টেস্টেও আগে ব্যাটিং নিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু সকাল সাড়ে নয়টায়।

 

হোয়াইটওয়াশে চোখ বাংলাদেশের

এই বছরের মাঝামাঝিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টেস্ট সিরিজটা কী দুঃস্বপ্নের মতোই না কেটেছিল বাংলাদেশের! বিশেষ করে প্রথম টেস্টে নিজেদের সর্বনিম্ন ৪৩ রানে গুটিয়ে যাওয়া। দুই টেস্টই বাংলাদেশ হেরেছিল তিন দিনেই। এবার ঘরের মাঠে চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে একটা প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছে। ঢাকায় দ্বিতীয় টেস্ট ড্র করলেও সিরিজ জিতবে বাংলাদেশ। তবে শুধু সিরিজ জয় নয়, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করতে চায় স্বাগতিকরা। ২০০৯ সালে অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাদের মাটিতেই হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ। তবে ওই সিরিজে খেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় সারির দল। নয় বছর পর এবার পূর্ণ শক্তির দলের বিপক্ষেই সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে।

ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেছেন, ‘যদি ২-০ তে জিততে পারি তাহলে বাংলাদেশের জন্য স্পেশাল হবে। আমরা চাই ২-০ তে জিততে। এ জন্য যা কিছু করা দরকার, যেভাবে প্রস্তুতি নেওয়া দরকার আমরা সেভাবেই নিচ্ছি। যদি সেটা কোনোভাবে না হয় তাহলে আমাদের অবশ্যই লক্ষ্য থাকবে যেন ১-০ তে সিরিজ জিতি, কারণ মূল লক্ষ্য সিরিজ জেতা। কিন্তু আমরা রক্ষণাত্মক হয়ে সিরিজটা জিততে চাই না। আমরা চাই আগ্রাসন দেখিয়ে ২-০ তে সিরিজ জিততে।’

দৈনিক যশোর
দৈনিক যশোর